গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি গাইবান্ধা জেলায় প্রতিষ্টিত তৃতীয় হাইস্কুল। ১৯১৪ সালে স্কুলটি হাইস্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর আগে এটি ছিল মিডল মাদ্রাসা (এম. এফ. মাদ্রসা)। সুন্দরগঞ্জের জোতদার রহিমুন্নেছার সম্পত্তির উপর স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কোমরনই মিয়া পরিবারের সাথে তার আতীয়তার সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে সম্পত্তি পাওয়া সহজ হয়। স্কুলের মুল ভবনটির জায়গায় তখন একটি ঘর ছিল। পায়রাবন্দ জমিদার গোষ্টীর নবাব সাহেব নামে পরিচিত এক ব্যক্তি সেই ঘরটিতে থাকতেন। স্কুল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হলে নবাব সাহেব ঘরটি ছেড়ে চলে জান।
এম. এফ মাদ্রাসা থেকে হাইস্কুলে রুপান্তরের পর স্কুলটিতে প্রথমে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত 1 ক্লাস চালু করা হয়। পরে পূর্ণাঙ্গ হাইস্কুলে পরিণত হয়। এ সময় এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন পাবনার শাহজাতপুরের মীর ওয়াজেদ আলী। তিনি কিছুকাল পরে চলে গেলে তার স্থানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদেন সাদুল্যাপুরের মেনহাজ উদ্দিন খান।
মুসলমান ছাত্রদের অধিক হারে শিক্ষাদানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ইসলামিয়া হাইস্কুলের জন্ম। কারণ গাইবান্ধা হাইস্কুলে মুসলমান ছাত্রের সংখ্যা এবং ফলাফল তখন তেমন সন্তোষজনক ছিলনা। তবে হিন্দু ছাত্ররাও ইসলামিয়া হাইস্কুলে লেখাপড়া করতে পারতো।
১৯১৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরুকালে এর সভাপতি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক কাজী, রজ্জব আলী এবং সম্পাদক ছিলেন মিয়াবাড়ির খান বাহাদুর আব্দুল মজিদ সাহেব।
প্রতিষ্ঠালগ্নে এর ছাত্র সংখা ছিল প্রায় ৩০০ জন। ১৯১৮ সালে স্কুলটি মঞ্জুরী লাভকরে। এই স্কুল থেকে ১৯১৯ সালে প্রথম মেট্রিক পরিক্ষা দেন চারজন। ১৯৯৪ সালে এর ছাত্র সংখ্যা দ্বারায় ১ হাজার ৪০০শত এর বেশী।
বর্তমানে এই স্কুলের জমির পরিমান ৩ একর ৩০ শতক।
